শেয়ার করুন...

বর্তমান সময়ে ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এর অনেক চাহিদা রয়েছে। ব্যাক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল, ব্যাংক, বীমা সবার ওয়েবসাইট প্রয়োজন।

উন্নত বিশ্বে প্রতিটি ব্যাক্তির একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। এসকল ওয়েবসাইট বানানো ও মেনটেন করার জন্য প্রয়োজন দক্ষ ডেভেলপারের।

আপনারা জানেন যে ওয়েবসাইট বানাতে বিভিন্ন রকম কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে হয়। কিন্তু বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট সফটওয়্যার ও বিল্ডার আছে যার মাধ্যমে কোডিং ছাড়া প্রফেশনাল লেভেলের ওয়েবসাইট বানানো যায়।

আপনারা হয়তো টিভিতে GoDaddy এবং Wix এর বিজ্ঞাপন দেখেছেন।

এগুলো ওয়েবসাইট বিল্ডার সফটওয়্যার। এসকল ওয়েবসাইট বিল্ডার সাধারনত আমেরিকান সাধারন মানুষদের টার্গেট করে বানানো হয়। সাধারন মানুষ যারা কোন সৃজনশীল পেশায় জড়িত অথবা ছোটখাট দোকান বা কফি শপের মালিক, তাদেরকে টার্গেট করা হয়।

এসকল বিল্ডারের মাধ্যমে একজন আমেরিকান ব্যাক্তি খুব সহজেই একটি ওয়েবসাইট খুলতে পারে। কিন্তু সাইট খোলার কয়েকদিন পর দেখা যায় তারা আরো নতুন ফিচার সংযোজন করতে চাইছেন।

নতুন ফিচার সংযোজন করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত টেকনিকাল নলেজ অথবা হাতে সময় থাকে না।

এজন্য তাদের একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভেলপারের প্রয়োজন হয়। আমেরিকান ফ্রিল্যান্সারেরা এক একটি ওয়েবসাইটের জন্য ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ মার্কিন ডলার চার্জ করে থাকেন।

যেহেতু তারা ছোটখাট ব্যবসা করেন, তাদের পক্ষে ১০,০০০-২০,০০০ ডলার খরচ করে একজন আমেরিকান ওয়েব ডেভেলপারকে দিয়ে কাজ করানো সম্ভব হয় না।

তাই তারা বাংলাদেশ, ভারত এবং ফিলিপাইন থেকে কম দামে এই কাজ গুলো করার কথা ভাবেন।

আমেরিকাতে যেই কাজটি ৫,০০০ ডলার দিয়ে করাতে হতো, সেখানে আমাদের দেশে সেটি ৫০০-১,০০০ ডলার দিয়ে করানো যায়। এর ফলে আমেরিকান ব্যাক্তিটি যেমন সাশ্রয় করতে পারেন, ঠিক তেমনি আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সারেরা লাভবান হতে পারেন।

নতুন হিসেবে আপনি কোডিং ছাড়া ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে ছোটখাট আপডেটের কাজ করতে পারবেন। এই সকল কাজ করে আপনি ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে কাজ প্রতি ১০-২০ আমেরিকান ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি খুব ভালভাবে লেগে থাকলে আপনি মাসে ১০০-৫০০ ডলার ইনকাম করতে পারবেন, অর্থাৎ ঘরে বসে ৮,০০০-৪০,০০০ টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনি যত শিখবেন আর যত কাজ করবেন আপনি কাজ প্রতি আরো বেশি পারিশ্রমিক পাবেন এবং আরো বেশি ডলার অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

যেহেতু এই কাজটি করতে কেবল ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট সংযোগ লাগে, তাই হবিগঞ্জের একটি গ্রামে থেকেও আপনি এই কাজটি চালিয়ে যেতে পারবেন।

যতই দিন যাচ্ছে, ততই এই কাজের চাহিদা বাড়ছে। আপনি ১০ বছর এই কাজে সফলতার সাথে টিকে থাকলে, আপনিও হতে পারেন আগামী দিনের রোল মডেল। আজকের ফ্রিল্যান্সাররাই আগামী দিনের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার।

শেয়ার করুন...